বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম:
উপজেলা সন্দ্বীপে এলাকাবাসীর হাতে দুইজন গাঁজা ব্যবসায়ী আটক। মতলব উত্তরে ঘুর্নিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি কাফনের কাপড় পাঠিয়ে জীবননাশের হুমকি মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত ট্যাংক উপহার দিলো ভারত যশোরের চৌগাছায় টানা বর্ষণে জলাবদ্ধতা, কৃষকের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি যশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কাজে ফিরেছেন হাসপাতালের সেই ১১ পরিচ্ছন্নকর্মী যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মাননা প্রদান। ৭,১২,২১ হাফিজুর শেখ কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সন্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আমরা সাজাবো কেশবপুর সংগঠনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাবের হলরুমে ওই সন্মাননা প্রদান করা হয়। সংগঠনের সভাপতি কামরুজ্জামান রাজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক উৎপল দে, সাংবাদিক নূরুল ইসলাম খান, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক তুহিন হোসেন, প্রচার সম্পাদক আব্দুস সালাম, সদস্য এনামুল হাসান নাইম ও শফিকুল ইসলাম। সম্মাননা পাওয়া ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন- যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম তৌহিদুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অসীত কুমার ভদ্র। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর কেশবপুর হানাদার মুক্ত হয়। এদিন মুক্তিযোদ্ধারা সম্মিলিতভাবে কেশবপুরে প্রবেশ করার আগমূহুর্তে রাজাকাররা কেশবপুর বালিকা বিদ্যালয় ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যায় অপকা’র উদ্যোগে উখিয়া’র জালিয়াপালং ইউনিয়নে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ১৬ দিনব্যাপী প্রচারণার আলোচনা সভা ঈদগাঁওতে হাতি রক্ষা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে ৫৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৫ জন আটক




অবসর ভেঙে লঙ্কান লিগে খেলবেন ইরফান পাঠান

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩১১ বার পঠিত
জাগো নিউজ থেকে নেওয়াঃ সবশেষ স্বীকৃত ক্রিকেট খেলেছেন গতবছরের ফেব্রুয়ারিতে।পরে খেলেছেন দুইটি প্রদর্শনীমূলক ম্যাচ।আর চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই বিদায় জানিয়েছেন পেশাদার ক্রিকেটকে।এবার সেই অবসর ভেঙে শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগ(এলপিএল)ক্রিকেটে খেলবেন ভারতের সাবেক অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান।আগামী ২১ নভেম্বর থেকে শুরু হতে চলেছে এলপিএলের প্রথম আসর।পাঁচ দলের অংশগ্রহণে ১৩ ডিসেম্বর পর্দা নামবে।এই টুর্নামেন্টের যেখানে তারকাখচিত দল ক্যান্ডি তাস্কার্সের হয়ে খেলবেন ইরফান পাঠান।সতীর্থ হিসেবে তিনি পাবেন ক্রিস গেইল,ওয়াহাব রিয়াজ,লিয়াম প্লাংকেট,কুশল পেরেরার মতো খেলোয়াড়দের।মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই পেশাদার ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন ইরফান।তবে দশ মাসের বেশি সময় নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকতে পারলেন না এ বাঁহাতি পেস বোলিং অলরাউন্ডার।বর্তমানে আইপিএলে ধারাভাষ্যের কাজে আরব আমিরাতে অবস্থান করছেন তিনি।আইপিএল শেষ করেই চলে যাবেন শ্রীলঙ্কায়।ক্রিকইনফোকে ইরফান বলেছেন,‘আমি খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।হ্যাঁ, আমি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছিলাম।তবে আমি এখনও বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটে খেলতে পারব।আশা করছি এলপিএল উপভোগ্য হবে এবং মাঠের লড়াইয়ের স্বাদ আস্বাদন করতে পারব।যা গত দুই বছর ধরে আমি পারছি না। আমি মনে করি,এখনও খেলার মতো অনেক কিছুই আছে আমার ভেতরে।’

এলপিএলে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর স্কোয়াড:

জাফনা স্ট্যালিয়নস
থিসারা পেরেরা,ভানিন্দু হাসারাঙ্গা,শোয়েব মালিক,উসমান শিনওয়ারি,আভিশকা ফার্নান্দো,ধনঞ্জয় ডি সিলভা,সুরাঙ্গা লাকমল,বিনুরা ফার্নান্দো,আসিফ আলি,মিনোদ ভানুকা,চাতুরাঙ্গা ডি সিলভা,মহেশ থিকশানা,চরিথ আসালাঙ্কা,নুভিনিদু ফার্নান্দো,কানাগারাত্নাম কপিলরাজ,থাইভেনদিরাম দিনোশান এবং ইয়াকান্থ ইয়াশকান্ত।

ডাম্বুলা হকস
দাসুন শানাকা,কার্লোস ব্রাথওয়েট,সামিত প্যাটেল,নিরোশান ডিকভেলা(উইকেটরক্ষক),লাহিরু কুমারা,ওশাদা ফার্নান্দো,কাসুন রাজিথা,পল স্টারলিং,লাহিরু মাদুশঙ্কা,উপুল থারাঙ্গা,অ্যাঞ্জেলো পেরেরা,রমেশ মেন্ডিস,পুলিনা থারাঙ্গা,আশেন বান্দারা,দিলশান মাদুশঙ্কা,শচীন্দু কলমবাগে।

ক্যান্ডি তাস্কার্স
ক্রিস গেইল,কুশল পেরেরা,ইরফান পাঠান,লিয়াম প্লাংকেট,ওয়াহাব রিয়াজ,কুশল মেন্ডিস,নুয়ান প্রদীপ,সেকুগে প্রসন্ন,আসেলা গুনারাত্নে,নবীন উল হক,কামিন্দু মেন্ডিস,দিলরুয়ান পেরেরা,প্রিয়ামল পেরেরা,কাভিশকা আনজুলা,লাসিথ এম্বুলদেনিয়া,লাহিরু সামারাকুন,নিশান ফার্নান্দো,চামিকা এডিরিসিংহে এবং ইশান জয়ারত্নে।

কলম্বো কিংস
অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ,মানপ্রিত সিং গনি,ইসুরু উদানা,দিনেশ চান্দিমাল,আমিলা আপোনসো,রবিন্দরপল সিং,আশান প্রিয়ঞ্জন,দুশমন্থ চামিরা,জেফরে ভেন্ডারসাই,থিকশিলা ডি সিলভা,থারিন্দু কুশল,লাহিরু উদারা,হিমেশ রামানায়েক,কালানা পেরেরা,থারিন্দু রত্নায়েকে এবং নাভোদ পারানাভিথানা।

গল গ্ল্যাডিয়েটরস
লাসিথ মালিঙ্গা,শহিদ আফ্রিদি,কলিন ইনগ্রাম,মোহাম্মদ আমির,হযরতউল্লাহ জাজাই,দানুশকা গুনাথিলাকা,ভানুকা রাজাপাকশে,আকিলা ধনঞ্জয়,মিলিন্দা সিরিওয়ার্দেনে,সরফরাজ আহমেদ,আজম খান,লাকশান সান্দাকান,শেহান জয়াসুরিয়া,আসিথা ফার্নান্দো,নুয়ান থুসারা,মোহাম্মদ সিরাজ,ধনঞ্জয় লাকশান,চানাকা রুয়ানসিরি এবং সাহান আরাচ্চি।




নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..




যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মাননা প্রদান। ৭,১২,২১ হাফিজুর শেখ কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সন্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আমরা সাজাবো কেশবপুর সংগঠনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাবের হলরুমে ওই সন্মাননা প্রদান করা হয়। সংগঠনের সভাপতি কামরুজ্জামান রাজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক উৎপল দে, সাংবাদিক নূরুল ইসলাম খান, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক তুহিন হোসেন, প্রচার সম্পাদক আব্দুস সালাম, সদস্য এনামুল হাসান নাইম ও শফিকুল ইসলাম। সম্মাননা পাওয়া ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন- যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম তৌহিদুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অসীত কুমার ভদ্র। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর কেশবপুর হানাদার মুক্ত হয়। এদিন মুক্তিযোদ্ধারা সম্মিলিতভাবে কেশবপুরে প্রবেশ করার আগমূহুর্তে রাজাকাররা কেশবপুর বালিকা বিদ্যালয় ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যায়
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
banglawebs999995