বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম:
উপজেলা সন্দ্বীপে এলাকাবাসীর হাতে দুইজন গাঁজা ব্যবসায়ী আটক। মতলব উত্তরে ঘুর্নিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি কাফনের কাপড় পাঠিয়ে জীবননাশের হুমকি মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত ট্যাংক উপহার দিলো ভারত যশোরের চৌগাছায় টানা বর্ষণে জলাবদ্ধতা, কৃষকের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি যশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কাজে ফিরেছেন হাসপাতালের সেই ১১ পরিচ্ছন্নকর্মী যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মাননা প্রদান। ৭,১২,২১ হাফিজুর শেখ কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সন্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আমরা সাজাবো কেশবপুর সংগঠনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাবের হলরুমে ওই সন্মাননা প্রদান করা হয়। সংগঠনের সভাপতি কামরুজ্জামান রাজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক উৎপল দে, সাংবাদিক নূরুল ইসলাম খান, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক তুহিন হোসেন, প্রচার সম্পাদক আব্দুস সালাম, সদস্য এনামুল হাসান নাইম ও শফিকুল ইসলাম। সম্মাননা পাওয়া ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন- যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম তৌহিদুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অসীত কুমার ভদ্র। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর কেশবপুর হানাদার মুক্ত হয়। এদিন মুক্তিযোদ্ধারা সম্মিলিতভাবে কেশবপুরে প্রবেশ করার আগমূহুর্তে রাজাকাররা কেশবপুর বালিকা বিদ্যালয় ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যায় অপকা’র উদ্যোগে উখিয়া’র জালিয়াপালং ইউনিয়নে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ১৬ দিনব্যাপী প্রচারণার আলোচনা সভা ঈদগাঁওতে হাতি রক্ষা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে ৫৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৫ জন আটক




অস্ট্রেলিয়াকে ৬২ রানে অলআউট করলো বাংলাদেশ।

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১০ আগস্ট, ২০২১
  • ৯৭ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্ক নিউজঃ উপমহাদের উইকেট এমনিতেই স্পিন সহায়ক।বাংলাদেশে আসার আগে তাদেরকে যে স্পিন সহায়ক উইকেটে স্বাগত জানানো হবে সে ভাবনা ভেবেই এসেছে অস্ট্রেলিয়া।স্কোয়াডে তিনজন বিশেষায়িত স্পিনারও রেখেছিল তারা।কিন্তু লাল-সবুজের ডেরায় পা রেখে যে এতোটা পরীক্ষা দিতে হবে,সেটি বোধহয় কল্পনাতেও আনতে পারেনি ম্যাথু ওয়েডের দল।কিংবা আনলেও স্পিনের বদলা যে স্পিনে নেওয়া সম্ভব নয়, সে ভাবনা নেহায়েতই বোকামি ছিল বৈকি!

বাংলাদেশের স্পিন সামলাতে যে দক্ষতা প্রয়োজন তা ছিল না অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানদের। মন্থর উইকেটে বাংলাদেশি স্পিনারদের খেলতে রীতিমতো খাবি খেয়েছে অজি ব্যাটসম্যানরা। এর সুফল পেয়েছে স্বাগিতিকরা। প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলতে নেমে প্রথম তিন ম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরে রেখেছিল টাইগাররা।

সিরিজের চতুর্থ ম্যাচটি অবশ্য জিততে পারেনি স্বাগতিকরা। সে ম্যাচে বাংলাদেশ সফরে একমাত্র জয়টি পায় অস্ট্রেলিয়া। ৩ উইকেটে বাংলাদেশকে হারায় তারা। সোমবার (৯ আগস্ট) সিরিজের পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে আগে ব্যাট করে স্কোরবোর্ডে ১২২ রানে পুঁজি পায় অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। এই ১২৩ রানের লক্ষ্যও টপকাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া।

টাইগার বোলারদের হাতে নাস্তানুবার হয়ে গুটিয়ে যায় মাত্র ৬২ রানে। এটিই টি-টোয়েন্টিতে তাদের সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড। এর আগে টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড ছিল ৭৯ রানের, ১৫ বছর আগে-শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। শেষ ম্যাচটি ৬০ রানে জিতে ৫ ম্যাচ সিরিজ ৪-১ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ তো হেরেছিল আগেই, শেষটায় লজ্জায় লাল হলো ম্যাথু ওয়েডের দল।

বাংলাদেশের পুঁজি ছিল মাত্র ১২২ রানের। তবে এই উইকেটে এ রানটাও যে পাহাড়সমান, সেটা হারে হারেই টের পেল অস্ট্রেলিয়া। ১৪ রানে শেষ ৭ উইকেট হারাল তারা।১২৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা অস্ট্রেলিয়াকে শুরু থেকেই চেপে ধরেন টাইগার বোলাররা। ১৭ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারায় ম্যাথু ওয়েডের দল। দুটি উইকেটই নেন নাসুম আহমেদ।

গত ম্যাচে বলতে গেলে ড্যান ক্রিশ্চিয়ানের ব্যাটিংয়ের কাছেই হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশ। মাত্র ১০৫ রানের ছোট্ট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অসি ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসানের এক ওভারেই হাঁকান ৫ ছক্কা। ভয়ংকর এই ব্যাটসম্যানকে এবার উইকেটে থিতু হতে দেননি নাসুম। টাইগার বাঁহাতি এই স্পিনার ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বল হাতে নিয়েই বোল্ড করে দেন ক্রিশ্চিয়ানকে।

নাসুমের ঘূর্ণি ডেলিভারিতে ক্রস খেলতে গিয়ে পুরোপুরি মিস করেন ক্রিশ্চিয়ান (৩ বলে ৩), ভেঙে যায় উইকেট। ৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। পরের ওভারে এসে নাসুম তুলে নেন এই সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে ধারাবাহিক ব্যাটসম্যানকেও। অসি ইনিংসের চতুর্থ ওভারে মিচেল মার্শকে এলবিডব্লিউ করেন নাসুম। স্লগ করতে গিয়ে বল মিস করলে আম্পায়ার আঙুল তুলে দেন। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি মার্শ (৪)।

এরপর ম্যাথু ওয়েড আর ম্যাকডরমট কিছুটা চোখ রাঙানি দিয়েছিলেন। গত ম্যাচে বেদম মার খাওয়া সাকিব আল হাসান এবার অষ্টম ওভারে বল হাতে নিয়েই নিজের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে বোল্ড করেছেন অসি অধিনায়ক ওয়েডকে (২২ বলে ২২)। পরের ওভারে অস্ট্রেলিয়ার দুঃখ আরও বাড়ান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। নিজের প্রথম ওভারে তিনিও সাফল্য পান, ফেরান ম্যাকডরমটকে (১৬ বলে ১৭)।

এক ওভার একটু স্বস্তিতে কেটেছিল অস্ট্রেলিয়ার। তারপর মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের জোড়া আঘাত। প্রথমে দারুণ এক ডেলিভারিতে তিনি বোল্ড করেন অ্যালেক্স কারেকে (০)। এক বল পর উইকেটের পেছনে ক্যাচ ময়েচেস হেনড্রিকস (৩)। পরের ওভারে সাকিবকে কাট করতে গিয়ে শর্ট কভারে ক্যাচ অ্যাশটন টার্নার (১)। ৫৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। এরপর লেজটা মুড়ে দিতে আর সময় লাগেনি। ১৩.৪ ওভারেই ৬২ রানে গুটিয়ে যায় অসিদের ইনিংস।

আগের ম্যাচের দুঃস্বপ্ন কাটিয়ে সাকিবই দলের সেরা বোলার। মাত্র ৯ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। সাইফউদ্দিন ১২ রানে ৩টি আর নাসুম ৮ রানে নেন ২ উইকেট।

এর আগে অস্ট্রেলিয়ান বোলাররা শেষের দিকে এমনভাবেই চেপে ধরেন টাইগার ব্যাটসম্যানদের, প্রত্যাশার কাছাকাছিও যেতে পারেনি স্বাগতিকরা। শেষ ৫ ওভারে মাত্র ২০ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ। হারায় ৩ উইকেট। ফলে অলআউট না হয়েও ৮ উইকেটে ১২২ রানে আটকে যায় টাইগারদের ইনিংস।

টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সৌম্য সরকারের টানা ব্যর্থতায় এবার ওপেনিং জুটিতে পরিবর্তন আনা হয়। প্রমোশন পেয়ে নাইম শেখের সঙ্গে ইনিংস উদ্বোধন করে মাহেদি হাসান। নতুন জুটি খারাপ করেনি। প্রথম তিন ওভারেই ৩৩ রান তুলেছিলেন নাইম আর মাহেদি। তাদের ২৭ বলে ৪২ রানের ঝড়ো জুটিটি শেষ পর্যন্ত থেমেছে মাহেদির ব্যাটের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে অসি অফস্পিনার অ্যাটশন টার্নারকে ব্যাকফুটে গিয়ে পুলের মতো খেলতে চেয়েছিলেন মাহেদি। হাত থেকে তার ব্যাট ছুটে যায়, অন্যদিকে বল উঠে যায় ওপরে। মিডউইকেটে দাঁড়িয়ে সহজ ক্যাচ নেন অ্যাশটন অ্যাগার।

এরপর নাইম সেট হয়ে উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন। নবম ওভারে ড্যান ক্রিশ্চিয়ানকে অযথা রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে ব্যাটের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন তিনিও। পয়েন্টে সহজ ক্যাচ নেন অ্যাগার। একটি করে চার-ছক্কার নাইম করেন বল সমান ২৩ রান। গত ম্যাচের মতো আজও উইকেটে এসে শুরু থেকেই হাসফাঁস করছিলেন সাকিব আল হাসান। বারকয়েক ভাগ্যগুণে বেঁচে যান। তবে বাঁচতে পারেননি দশম ওভারে এসে। অ্যাডাম জাম্পার ঘূর্ণি ডেলিভারি প্যাডে লেগে এলবিডব্লিউ হন সাকিব (২০ বলে ১১)।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এর আগে ৮২ ইনিংসে কখনও লেগবিফোর উইকেট হননি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তার ওপর হঠাৎ যেন খারাপ সময় ভর করেছে। গত ম্যাচেও ব্যাটে-বলে অনুজ্জ্বল ছিলেন। গত ম্যাচে ব্যর্থ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ অবশ্য এবার শুরু করেছিলেন ঝড়ো গতিতে। তবে সফট ডিসমিসাল হয় তার। অ্যাশটন অ্যাগারের ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে হালকা ব্যাট ছুঁইয়ে দেন টাইগার অধিনায়ক, বোলারই নেন ফিরতি ক্যাচ। তাতেই থামে তার ১৪ বলে এক ছক্কায় ১৯ রানের ইনিংসটি।

ওই ওভারের শেষ বলে বড় এক ছক্কা হাঁকিয়ে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন এবার চারে খেলতে নামা সৌম্য। কিন্তু শুরুর দিকে বল নষ্ট করা এই বাঁহাতি এবারও উৎড়ে যাওয়ার মতো ব্যাটিং করতে পারেননি। ১৮ বলে ১৬ রান করে লংঅফে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। এরপর বল নষ্ট করে সাজঘরের পথ ধরেন নুরুল হাসান সোহান (১৩ বলে ৮)। ছক্কায় ইনিংস শুরু করেও এবার আর মনে রাখার মতো কিছু করতে পারেননি আফিফ হোসেন ধ্রুব (১১ বলে ১০)।

মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন রানআউট হন শূন্যতে। ৮ বল খেলে মাত্র ৪ রান তুলতে পারেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ফলে ১২২ রানের বেশি এগোতে পারেনি টাইগাররা। অসি বোলারদের মধ্যে ২টি করে উইকেট নেন নাথান এলিস আর ড্যান ক্রিশ্চিয়ান।




নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..




যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মাননা প্রদান। ৭,১২,২১ হাফিজুর শেখ কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সন্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আমরা সাজাবো কেশবপুর সংগঠনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাবের হলরুমে ওই সন্মাননা প্রদান করা হয়। সংগঠনের সভাপতি কামরুজ্জামান রাজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক উৎপল দে, সাংবাদিক নূরুল ইসলাম খান, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক তুহিন হোসেন, প্রচার সম্পাদক আব্দুস সালাম, সদস্য এনামুল হাসান নাইম ও শফিকুল ইসলাম। সম্মাননা পাওয়া ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন- যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম তৌহিদুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অসীত কুমার ভদ্র। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর কেশবপুর হানাদার মুক্ত হয়। এদিন মুক্তিযোদ্ধারা সম্মিলিতভাবে কেশবপুরে প্রবেশ করার আগমূহুর্তে রাজাকাররা কেশবপুর বালিকা বিদ্যালয় ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যায়
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
banglawebs999995