কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাথে রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভা, বৃক্ষরোপন ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন

0 ১১৭

সরিফ মিয়া: কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) এর সাথে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ৩ দিন ব্যাপি পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র রক্ষায় বৃক্ষরোপণ ও আতœহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতা কর্মসূচী ছাড়াও বিশ্বের দীর্ঘতম অন্যতম পর্যটন নগরী কক্সবাজারের আধুনিকায়নের লক্ষ্যে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।১০ নভেম্বর মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কক্সবাজার জেলা শহরের বিভিন্নস্পটে এসব কর্মসূচী পালন করা হয়। রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি কলামিষ্ট লায়ন মীর আব্দুল আলীমের সভাপতিত্বে এসব কর্মসূচীতে প্রথমে কক্সবাজারের বাজারঘাটা এলাকার পুকুরপাড়ে কউকের চেয়ারম্যান কর্ণেল (অবঃ) ফোরকান আহমেদ, সিনিয়র উপ সচীব আবু জাফর রাশেদসহ কউক কর্মকর্তাদের নিয়ে শতাধিক বৃক্ষরোপণ করা হয়। পরে সমূদ্র সৈকত এলাকায় আগত দেশী ও বিদেশী দর্শনার্থীদের মাঝে প্রচারনার লক্ষ্যে দেশের নানা প্রান্তে তুচ্ছ ঘটনায় আতœহত্যার ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতামুলক মানববন্ধন করা হয়। এছাড়াও সারাদেশে বৃক্ষরোপণের আহবান জানিয়ে পর্যটন এলাকাকে পরিবেশ বান্ধব করে গড়ে তুলতে আহবান করেন সাংবাদিকরা। পরে বুধবার দুপুরে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে শহরের বিভিন্ন উন্নয়নে গৃহিত কর্মসূচী ও সাংবাদিকদের ভূমিকা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। কউকের চেয়ারম্যান ফোরকান আহমেদের সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভায় রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি কলামিষ্ট লায়ন মীর আব্দুল আলীম তার বক্তব্যে বলেন, কক্সবাজার শহর ক্রমেই উন্নতির দিকে এগুচ্ছে এতে পর্যটকরা আরো আকর্ষণ পাবে। তবে পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ও সৈকতপাড়ের পরিবেশ আরো নিরাপদ করতে পদক্ষেপ নিতে হবে। এখানে পর্যটকরা ফোটোগ্রাফার, হকার ও বিভিন্ন সিন্ডিকেটদ্বারা হয়রানীর শিকার হয়ে থাকে। এসব বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে কক্সবাজারের সকলকে উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানান তিনি। এ সময় কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কর্ণেল(অবঃ) ফোরকান আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ন পর্যটন নগরী হিসেবে এ কক্সবাজারকে ঢেলে আধূনিকায়ন করার লক্ষেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্যোগ নিয়েছেন। তাই ২০১৬ এর আগষ্টে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের যাত্রা শুরু হয়। কউকের যাত্রা শুরুতে পুঁিজ ও জনবল সংকট থাকায় বহুকাজ পিঁিছয়ে থাকতে বাধ্য হয়।পরে এসব সংকট কিছুটা দূর হলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে পুরো শহরকে আন্তর্জাতিকমানের পর্যটন নগরী তৈরীর কাজ হাতে নেয় হয়। এতে সীমানা বৃদ্ধি, সৈকতপাড়ের নো ম্যান জোন, রাতের সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, মোড়ে মোড়ে দেশীয় ও স্থানীয় ঐতিহ্যের চিহ্ন সম্বলিত ভাস্কর্য স্থাপন , অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ বিভিন্ন কাজ চলমান রয়েছে।বিদেশী পর্যটকদের নিরাপত্তায় পৃথক একটি এলাকাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাছাড়াও সেন্টমার্টিন, কুৃতুবদিয়া ও জেলার সবকটি পর্যটন উপজেলাকেও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আঁওতায় আনার কাজ চলছে । এ সময় অন্যান্যদের মাঝে আরো উপস্থিত ছিলেন কউকের সিনিয়র উপ সচীব আবু জাফর রাশেদ, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি কালের কন্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি তোফায়েল আহমেদ, রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা কবি ও সাংবাদিক আলম হোসেন, উপদেষ্টা সদস্য মাসুদ করীম, সাংবাদিক সুশীল সরকার , সিনিয়র সাংবাদিক সাত্তার আলী সোহেল, রূপকন্ঠের সম্পাদক নজরুল ইসলাম চৌধূরী, রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক খলিল সিকদার, সাংবাদিক এ হাই মিলন সাংবাদিক রিপন মিয়া, প্রমূখ। এর আগে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কর্ণেল (অবঃ)ফোরকান আহমেদের আমন্ত্রণে কক্সবাজার জেলা শহরের এক সময়ের নর্দমাস্থল গোলদিঘিকে সংস্কার পরবর্তি দর্শনীয় স্থানে পরিণত করে ফোয়ারা স্থাপন ওয়াটার মিউজিক ডেন্স ও শহরের সৌন্দর্য্য বর্ধনের বিভিন্ন স্পট ঘুরে দেখান ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.