‘খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি’তে চলছে অনিয়ম

0 ৯৬

জসিম উদ্দিন (রুবেল):চট্টগ্রামঃলক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগন্জ থানাধীন ১২ নং চরশাহী ইউনিয়নে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সাল থেকে দরিদ্রের মধ্যে “শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে “খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি” চালু করেছেন। এই কর্মসূচীর মাধ্যমে সারা দেশে পঞ্চাশ লক্ষ পরিবারকে পরিবার প্রতি মাসিক ত্রিশ কেজি করে চাল মাত্র ১০ টাকা কেজি দরে দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন চরশাহী ইউনিয়নে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি’র চাল বিক্রিতে চলছে অনিয়ম৷

অভিযোগ রয়েছে, ডিলার শিমুল চন্দ্র দাশ ১০ টাকা করে ৩০ কেজি চাউল দেওয়ার কথা থাকলেও তা দিচ্ছে ২৫ থেকে ২৭ কেজি বা তারও কম৷
এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, করোনা সংক্রমণের কারণে খাদ্যসংকটে পড়া মানুষকে স্বল্প মূল্যে চাল দেওয়া নিয়ে চলছে নয়-ছয়৷ভুক্তভোগীরা জানায়, আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি’র চাল দেওয়া শুরু হয়৷ জনপ্রতি ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয় ৩০ কেজি চাল দেওয়ার জন্য৷ কিন্তু ২৫ কেজি থেকে ২৭ কেজির বেশি চাল দেওয়া হয় না৷

এ বিষয় চরশাহী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলজার মোহাম্মদকে জানানো হলে ২৭ থেকে ২৯ কেজি পর্যন্ত দেওয়া হলেও ৩০ কেজি পর্যন্ত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা৷অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রদীপ তার নাম গোপন রেখে নিজেকে ডিলার শিমুল পরিচয় দিয়ে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নির্দিষ্ট নিয়মে চাল দেওয়া হচ্ছে – কোন অনিয়ম হচ্ছে না৷১২নং চরশাহী ইউপি চেয়ারম্যান গোলজার মোহাম্মদ জানান, তিনি ইউপি চেয়ারম্যান এবং খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি’র সভাপতি হয়েও চাল বিতরণের বিষয়টি অবগত নন৷ অনিয়মের বিষয়ে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে জানতে পারেন গোলজার মোহাম্মদ৷ডিলার শিমুল চন্দ্র দাশের অনিয়মের বিষয়টি নিশ্চিত করে গোলজার মোহাম্মদ আরও বলেন, শিমুলের প্রতিনিধি প্রদীপের অপকর্মের ফলে ইউনিয়ন পরিষদ এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে তা মেনে নেওয়া যায় না৷

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.