গ্রামপুলিশের পোষাক এখন বিভিন্ন অপরাধ ও ইয়াবা ব্যবসার ঢাল!

0 ১৪৫

বিশেষ প্রতিবেদক: উখিয়া টেকনাফের বিভিন্ন ইউনিয়নের চৌকিদার দফাদাররা গ্রামপুলিশের পোষাককে ইয়াবাসহ বিভিন্ন অপরাধের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে বলে অসংখ্য অভিযোগ ওঠেছে।যা মেজর সিনহা নিহত হওয়ার পর একের পর এক সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে গ্রাম পুলিশের এমন চরিত্র ফুটে ওঠেছে।তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রদীপ কান্ডের পর বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ঢালাওভাবে নিউজও হয়েছে।তাদের এমন অপকর্মের বিরুদ্ধে এতো নিউজ হওয়ার পরেও তারা ঠিকই পূর্বের ন্যায় মরণ নেশা ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যেতে কোনো ধরণের পিছপা হয়নি।যা গত বৃহস্পতিবার বহু অপরাধের মূল হোতা নাইক্ষংছড়ি ঘুমধুম ইউনিয়নের দফাদার ছৈয়দ আলম চার হাজার ইয়াবাসহ হাতে নাতে গ্রেফতার হয়েছে উখিয়া থানা পুলিশের হাতে ।তার বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কারণে অনেক সংবাদকর্মীরা বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় একাধিকবার নিউজও করেছে। সেই ইয়াবা সম্রাট দফাদার ছৈয়দ আলম নিজেকে সাধু সাজানোর জন্য, তার অপকর্মের বিরুদ্ধে নিউজ করা সাংবাদিকদের জন্য মানহানী মামলাও করেছে।কিন্তু আদালত কর্তৃক মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায়, বিজ্ঞ অাদালত মামলাটি খারিজ করে দিয়েছে। সেই বহু অপরাধের হুতা ছৈয়দ আলম এতোদিন গ্রাম পুলিশের পোষাক কে মাদক ব্যবসার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে।অবশেষে সাংবাদিকেরা তার করা মানহানী মামলা থেকে মুক্তি পেয়েছে,সেই ইয়াবা ব্যবসায়ী দফাদার পুলিশের জালে চার হাজার ইয়াবাসহ আটক হয়ে গ্রাম পুলিশের পোষাককে মাদক ব্যবসার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে সেটাই প্রমান হয়েছে ।উখিয়া টেকনাফের বিভিন্ন ইউনিয়নে ইয়াবা ব্যবসায়ী দফাদার ছৈয়দ আলমের মতো অনেক চৌকিদার দফাদার মুখোশের আড়ালে থেকে মাদকসহ নানান রকমের অপরাধ করেই যাচ্ছে।মেজর সিনহা পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার পরে সেই সব আড়ালে থাকা চৌকিদার দফাদারদের অপকর্ম তুলেধরে তাদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকেরা অনেক সংবাদ প্রকাশ করেছে। তারপরেও তারা পূর্বের ন্যায় আবারো মুখোশ পড়ে ভিতরে ভিতরে ইয়াবা ব্যবসাসহ অনেক ধরণের কর্মকান্ড পুরোদমে চালিয়ে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। এসব মুখোশদারীরাই গ্রামপুলিশের পোষাককে অপরাধের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে যাচ্ছে। তাদের মধ্যে অনেকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও আছে। এমনকি একেকজনের বিরুদ্ধে দুইতিনটা হত্যা মামলা আছে।মাডার মামলার আসামীরা যখন গ্রামপুলিশের চাকরীতে বহাল থাকে তখন সাধারণ মানুষ তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে।বিশেষ করে টেকনাফের হোয়াইক্যং এবং হ্নীলা ইউনিয়নের গ্রামপুলিশরাই এসব অপরাধের সাথে জড়িত।যা প্রদীপ কান্ডের পরে ভেসে ওঠেছে। তাদের আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তিরমুখোমুখি করার জোর দাবী জানিয়েছেন উখিয়া টেকনাফের শিক্ষিত সমাজ ও সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.