ঝালকাঠিতে অপসাংবাদিক আক্কাস-সবুজগং ও সহযোগীদের বিচারের দাবীতে মুক্তিযোদ্ধার সংবাদ সম্মেলন

0 ৭৯

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃঝালকাঠিতে পশ্চিম চাঁদকাঠী এলাকার মৃতঃ দেলোয়ার হোসেনের পুত্র মোঃ আক্কাস সিকদার, নলছিটি শিতলপাড়া এলাকার আমজেদ আলী খানের পুত্র মোঃ সবুর খান ওরফে সাংবাদিক কে.এম. সবুজ ও সদর উপজেলার নেহালপুর গ্রামের বাবুল মিরার পুত্র আসলাম মিরার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবীর অভিযোগে বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে নেহালপুর গ্রামের মৃতঃ সৈয়দ আলী দুয়ারীর ছেলে প্রায় সত্তুরোর্ধ বয়সী বৃদ্ধ সুলতান হোসেন দুয়ারী। ২৪ ডিসেম্বর বৃহষ্পতিবার বিকালে ঝালকাঠি কোর্ট রোডস্থ একটি অফিস কক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, “গত ১৯ডিসেম্বর২০২০ ইং তারিখে দুপুর আনুমানিক ০১:৩০ ঘটিকার সময় ঝালকাঠি পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডস্থ পশ্চিম চাঁদকাঠী এলাকার মৃতঃ দেলোয়ার হোসেনের পুত্র আইনজীবি মোঃ আক্কাস সিকদার, নলছিটি উপজেলাধীন শীতলপাড়া এলাকার আমজেদ আলীর পুত্র আ: সবুর ওরফে কেএম সবুজ, ও নেহালপুর গ্রামের বাবুল মিরার পুত্র মো: আসলাম মিরা আমার বসতঘরে আমার বিনা অনুমতিতে হঠাৎ প্রবেশ করে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার মানষে আমার সম্মূখে ক্যামেরা ধরে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের খাট করার লক্ষ্যে বিভিন্ন অবান্তর প্রশ্ন করে আমাকে বিভ্রান্ত করে।

আইনজীবি আক্কাস সিকদার আমার প্রতিপক্ষের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে আমাকে হয়রানী করার লক্ষ্যে আমার বসত বাড়িতে অনুপ্রবেশ করে। এদিকে এড. আক্কাস সিকদার আবার কখনো সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তার চাহিদা মাফিক তাকে টাকা না দিতে পারায় আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে সমস্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মুখে কালিমা লেপন করে আমার বিরুদ্ধে মানহানীকর মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে। যাহার আমি তীব্র নিন্দা জানাই। আমার মনে হয় আমি যদি আক্কাসকে চাঁদা বাবদ এক লাখ টাকা দিতাম তাহা হইলে আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করিত না। আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। সাংবাদিক আক্কাস সিকদার ও কেএম সবুজ বিভিন্ন সময় আমার নিকট এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে আসছে। আমরা দেশ স্বাধীন করেছি কি চাঁদা দেওয়ার জন্য ? আমি উক্ত ইয়োলো সাংবাদিক আক্কাস সিকদার ও কে এম সবুজ সহ তাদের সহযোগী চাঁদাবাজদের বিচার চাই।

উল্লেখ্য যে, ১নং বিবাদী আক্কাসের নামে হাইকোর্টে খুন ও বিষ্ফোরক মামলা বিচারাধীন আছে, ২নং বিবাদীর নামে মামির টাকা আত্মসাতের মামলা হয়েছে। আমি আপনাদের মাধ্যমে বিভিন্ন মিডিয়ায় নিউজ প্রকাশ করে উপরোল্লিখিত বিষয়টি প্রশাসনের দৃস্টি আকর্ষণ করছি এবং সুবিচার প্রার্থনা করছি।

এ বিষয় অভিযুক্ত আসলাম মিরা জানান, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়। আমার বিরুদ্ধে সুলতান হোসেন দুয়ারী যে, অভিযোগ এনেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি আরো বলেন, সুলতান হোসেন দুয়ারীর মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.