বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম:
আসন্ন ১২নং চরশাহী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা মার্কা বিজয়ের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত উপজেলা সন্দ্বীপে এলাকাবাসীর হাতে দুইজন গাঁজা ব্যবসায়ী আটক। মতলব উত্তরে ঘুর্নিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি কাফনের কাপড় পাঠিয়ে জীবননাশের হুমকি মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত ট্যাংক উপহার দিলো ভারত যশোরের চৌগাছায় টানা বর্ষণে জলাবদ্ধতা, কৃষকের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি যশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কাজে ফিরেছেন হাসপাতালের সেই ১১ পরিচ্ছন্নকর্মী যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মাননা প্রদান। ৭,১২,২১ হাফিজুর শেখ কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সন্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আমরা সাজাবো কেশবপুর সংগঠনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাবের হলরুমে ওই সন্মাননা প্রদান করা হয়। সংগঠনের সভাপতি কামরুজ্জামান রাজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক উৎপল দে, সাংবাদিক নূরুল ইসলাম খান, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক তুহিন হোসেন, প্রচার সম্পাদক আব্দুস সালাম, সদস্য এনামুল হাসান নাইম ও শফিকুল ইসলাম। সম্মাননা পাওয়া ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন- যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম তৌহিদুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অসীত কুমার ভদ্র। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর কেশবপুর হানাদার মুক্ত হয়। এদিন মুক্তিযোদ্ধারা সম্মিলিতভাবে কেশবপুরে প্রবেশ করার আগমূহুর্তে রাজাকাররা কেশবপুর বালিকা বিদ্যালয় ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যায় অপকা’র উদ্যোগে উখিয়া’র জালিয়াপালং ইউনিয়নে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ১৬ দিনব্যাপী প্রচারণার আলোচনা সভা ঈদগাঁওতে হাতি রক্ষা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত




দুই সুপার ওভারে পাঞ্জাবের জয়

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩৪৭ বার পঠিত

স্পোর্টস ডেস্কঃ আইপিএলে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব আর মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মধ্যকার ম্যাচটি যেন ছাড়িয়ে গেল বিশ্বকাপের সেই উত্তেজনাকেও।মূল ম্যাচে টাই হলো।অতঃপর সুপার ওভার,তাতেও সুরাহা হলো না।নতুন নিয়ম অনুযায়ী বিজয়ী দল বের করতে সুপার ওভার হলো আরও একটি।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর দুই সুপার ওভারের দ্বিতীয়টি জিতে শেষ হাসি হেসেছে লোকেশ রাহুলের কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব।টস জিতে ব্যাট করতে নেমে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ৬ উইকেটে তুলেছিল ১৭৬ রান।কুইন্টন ডি কক ৪৩ বলে ৫৩,হার্দিক পান্ডিয়া ৩০ বলে করেন ৩৪ রান।

মুম্বাইকে লড়াকু পুঁজি এনে দেয়ার পেছনে বড় অবদান ছিল শেষের দিকের দুই ব্যাটসম্যান কাইরন পোলার্ড আর নাথান কল্টার-নাইলের।পোলার্ড মাত্র ১২ বলে ১ চার আর ৪ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ৩৪ রানে।১২ বলে ৪ বাউন্ডারিতে তার সঙ্গে ২৪ রানে ছিলেন কল্টার নাইল।

এরপর লোকেশ রাহুলের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের পথেই ছিল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব।৫১ বলে ৭ চার আর ৩ ছক্কায় ৭৭ রান করা রাহুল ইনিংসের আড়াই ওভার বাকি থাকতে জাসপ্রিত বুমরাহর শিকার হন।এছাড়া ক্রিস গেইল ২১ বলে ১ চার আর ২ ছক্কায় ২৪ এবং নিকোলাস পুরান ১২ বলে ২টি করে চার ছক্কায় ২৪ রান করেন।

রাহুল আউট হলেন দরকার ছিলো ১৫ বলে পাঞ্জাবের ২৪ রান,হাতে ৫ উইকেট।শেষ ওভারে ৯ করতে হতো পাঞ্জাবকে।উইকেটে ছিলেন দীপক হুদা (১৩ বলে ২১) আর ক্রিস জর্ডান (৫ বলে ৭)।জয়টা তখনও নাগালে মনে হচ্ছিল।

কিন্তু ট্রেন্ট বোল্টের করা শেষ ওভারে প্রথম বলে হুদা নেন সিঙ্গেলস।দ্বিতীয় বলে জর্ডান বাউন্ডারি হাঁকালেও পরের তিন বলে মাত্র ২ রান নিতে পারেন এই যুগল। শেষ বলে দরকার ছিল ২,তাড়াহুড়ো করে এক রান নিতে পারলেও দ্বিতীয় রানের সময় রানআউট হয়ে যান জর্ডান।ফলে টাই হয় ম্যাচ,গড়ায় সুপার ওভারে।

প্রথম সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাটিং পাঞ্জাবের।মুম্বাইয়ের হয়ে বোলিংয়ে আসেন জাসপ্রিত বুমরাহ।নিকোলাস পুরানকে নিয়ে ওপেনিংয়ে নামেন অধিনায়ক লোকেশ রাহুল।কিন্তু ওভারের দ্বিতীয় বলে আউট হয়ে যান পুরান।শেষ পর্যন্ত ওই ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৫ রান করতে পারে পাঞ্জাব।

পাঞ্জাবের হয়ে বোলিংয়ের দায়িত্ব পান মোহাম্মদ শামি। ব্যাটিংয়ে নামেন মুম্বাইয়ের দুই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কক আর অধিনায়ক রোহিত শর্মা।কিন্তু তারা দুজন শামির ওই ওভারে ৫ রানের বেশি তুলতে পারেননি,শেষ বলে আউট হন ডি কক।ফলে সুপার ওভারও টাই হয়।

নজিরবিহীন ইতিহাস গড়ে দ্বিতীয় সুপার ওভারে গড়ায় ম্যাচ।এবার মুম্বাইয়ের আগে ব্যাটিং,নামেন কাইরন পোলার্ড আর হার্দিক পান্ডিয়া।ক্রিস জর্ডানের করা ওই ওভারে পোলার্ড একটি বাউন্ডারিসহ ৭ রান নিলে ১১ রান তুলতে পারে মুম্বাই।ওভারের চতুর্থ বলে রানআউট হয়েছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া,কিন্তু সূর্যকুমার যাদব স্ট্রাইকই পাননি।

দ্বিতীয় সুপার ওভারে ১২ রান দরকার হয় পাঞ্জাবের। এবার আর ভুল করেনি লোকেশ রাহুলের দল। ক্যারিবীয় হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইলকে ওপেনিংয়ে পাঠায় তারা,সঙ্গে ছিলেন মায়াঙ্ক আগারওয়াল।

ট্রেন্ট বোল্টের করা ওভারে প্রথম বলটিই ছিল ফুলটস। গেইল লং অনের ওপর দিয়ে বিশাল ছক্কা হাঁকান। পরের বলে নেন এক রান।তৃতীয় বলে স্ট্রাইক পান আগারওয়াল।আর সেখানে দাঁড়িয়ে টানা দুই বাউন্ডারিতে ম্যাচের সব উত্তেজনা পানি করে দেন ভারতীয় এই ব্যাটসম্যান।

নজিরবিহীন এক ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে শেষ হাসি হাসে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব।এতে ৯ ম্যাচে তৃতীয় জয় নিয়ে পয়েন্ট তালিকার ছয় নম্বরে উঠে এসেছে রাহুলের দল। সমান ম্যাচে ৬ জয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স আগের মতোই আছে দুইয়ে।




নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..




যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মাননা প্রদান। ৭,১২,২১ হাফিজুর শেখ কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সন্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আমরা সাজাবো কেশবপুর সংগঠনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাবের হলরুমে ওই সন্মাননা প্রদান করা হয়। সংগঠনের সভাপতি কামরুজ্জামান রাজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক উৎপল দে, সাংবাদিক নূরুল ইসলাম খান, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক তুহিন হোসেন, প্রচার সম্পাদক আব্দুস সালাম, সদস্য এনামুল হাসান নাইম ও শফিকুল ইসলাম। সম্মাননা পাওয়া ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন- যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম তৌহিদুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অসীত কুমার ভদ্র। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর কেশবপুর হানাদার মুক্ত হয়। এদিন মুক্তিযোদ্ধারা সম্মিলিতভাবে কেশবপুরে প্রবেশ করার আগমূহুর্তে রাজাকাররা কেশবপুর বালিকা বিদ্যালয় ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যায়
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
banglawebs999995