বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম:
আসন্ন ১২নং চরশাহী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা মার্কা বিজয়ের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত উপজেলা সন্দ্বীপে এলাকাবাসীর হাতে দুইজন গাঁজা ব্যবসায়ী আটক। মতলব উত্তরে ঘুর্নিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি কাফনের কাপড় পাঠিয়ে জীবননাশের হুমকি মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত ট্যাংক উপহার দিলো ভারত যশোরের চৌগাছায় টানা বর্ষণে জলাবদ্ধতা, কৃষকের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি যশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কাজে ফিরেছেন হাসপাতালের সেই ১১ পরিচ্ছন্নকর্মী যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মাননা প্রদান। ৭,১২,২১ হাফিজুর শেখ কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সন্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আমরা সাজাবো কেশবপুর সংগঠনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাবের হলরুমে ওই সন্মাননা প্রদান করা হয়। সংগঠনের সভাপতি কামরুজ্জামান রাজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক উৎপল দে, সাংবাদিক নূরুল ইসলাম খান, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক তুহিন হোসেন, প্রচার সম্পাদক আব্দুস সালাম, সদস্য এনামুল হাসান নাইম ও শফিকুল ইসলাম। সম্মাননা পাওয়া ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন- যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম তৌহিদুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অসীত কুমার ভদ্র। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর কেশবপুর হানাদার মুক্ত হয়। এদিন মুক্তিযোদ্ধারা সম্মিলিতভাবে কেশবপুরে প্রবেশ করার আগমূহুর্তে রাজাকাররা কেশবপুর বালিকা বিদ্যালয় ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যায় অপকা’র উদ্যোগে উখিয়া’র জালিয়াপালং ইউনিয়নে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ১৬ দিনব্যাপী প্রচারণার আলোচনা সভা ঈদগাঁওতে হাতি রক্ষা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত




দেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের সমর্থকদের সেখানেই পাঠিয়ে দেওয়া হোক

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৯ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন পরে আবারও মাঠে দর্শক দেখা গেছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের মধ্যে দিয়ে। হোম গ্রাউন্ডে সিরিজ মানেই গ্যালারিতে পরিপূর্ণ থাকে স্বাগতিক দলের দর্শকে। বাংলাদেশের বেলায়ও এর ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু মিরপুরে পাকিস্তোনের বিপক্ষে টাইগারদের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে স্টেডিয়ামের দর্শক উল্লাস দেখে কিছু সময়ের জন্য মনেই হতে পারে, এটা ঢাকা না লাহোর! হাসান আলী বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে আউট করলে বা শাদাব খান ছক্কা হাঁকালে দর্শকদের উল্লাস দেখে বুঝার উপায় নেই এটা বাংলাদেশের মাঠ নাকি অন্য কোন দেশের মাঠ।

শুধূ তাই নয়, প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মিরপুরের গ্যালারিতে পাকিস্তানি দর্শকদের পাশাপাশি বাংলাদেশি দর্শকদের হাতেও পাকিস্তানের পতাকা দেখা গেছে। বিষয়টি দেখে হৃদয়েও রক্তক্ষরণ হয়েছে হয়েছে কোটি বাঙালির। এ বিষয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত ডিএমপির এডিসি ইফতেখায়রুল ইসলাম। স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, একটা বিষয় মাথা থেকে কোনোভাবেই সরছে না, একটা প্যাথেটিক লুজার কীভাবে বাংলাদেশের মাটিতে বেড়ে উঠে তাঁর পূর্বের পেয়ারা পাকিস্তানিদের পেয়ার মোহাব্বত না ভুলতে পেরে, পাকিস্তানের জার্সি পরিধান করে তাদের সমর্থন করে যায়!

এর কাছে কী দেশ, মুক্তিযুদ্ধ, সংগ্রাম, স্বাধীনতা এসবের কোনোই মূল্য নেই এই আজিব চিড়িয়া যে নিজ দেশের বিপক্ষে অবস্থানকারী পাকিস্তানকে সমর্থন করে, তাকে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়া গেলে মনে হয় যথোপযুক্ত হতো! এমনিতে কোনায়, কানায় পাকিস্তানের সমর্থনকারীর সংখ্যাও নেহায়েত কম নয় তথাপি নিজ দেশের বিপরীতে এরকম জঘন্যভাবে হেসে পাকিস্তান সমর্থনকারী এই চিড়িয়ার মুখে এক দলা থু দিয়ে গেলাম!




নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..




যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মাননা প্রদান। ৭,১২,২১ হাফিজুর শেখ কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সন্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আমরা সাজাবো কেশবপুর সংগঠনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাবের হলরুমে ওই সন্মাননা প্রদান করা হয়। সংগঠনের সভাপতি কামরুজ্জামান রাজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক উৎপল দে, সাংবাদিক নূরুল ইসলাম খান, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক তুহিন হোসেন, প্রচার সম্পাদক আব্দুস সালাম, সদস্য এনামুল হাসান নাইম ও শফিকুল ইসলাম। সম্মাননা পাওয়া ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন- যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম তৌহিদুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অসীত কুমার ভদ্র। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর কেশবপুর হানাদার মুক্ত হয়। এদিন মুক্তিযোদ্ধারা সম্মিলিতভাবে কেশবপুরে প্রবেশ করার আগমূহুর্তে রাজাকাররা কেশবপুর বালিকা বিদ্যালয় ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যায়
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
banglawebs999995