পুলিশের উপস্থিতি সর্বত্র, সামনের সারিতে থেকে তারা দায়িত্ব পালন করছে- ঢাবি ভিসি

0 ১২১
পুলিশের উপস্থিতি নেই জীবনের ও সমাজের এমন কোনো ক্ষেত্র নেই। পুলিশের প্রয়োজন সর্বত্র আছে। অগ্রণী হিসেবে তারা দায়িত্ব পালন করছে বলে উল্লেখ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আখতারুজ্জামান। তিনি বলেন, শান্তি, কঠিন সংকটে, দুর্ধর্ষ দূর্ঘটনার সময় পুলিশ সামনের সারিতে থেকে আমাদের জন্য কাজ করছে। সে কারণে তাদেরকে উৎসাহ দেওয়া ও ভালো কাজকে সামনে আনা আমাদের মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব।শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২০) সকাল ১১টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স অডিটোরিয়ামে ‘কমিউনিটি পুলিশিং ডে’ ২০২০ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেছেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহাঃ শফিকুল ইসলাম বিপিএম-বার।মুজিববর্ষের মূলমন্ত্র, কমিউনিটি পুলিশিং সর্বত্র এই প্রতিপাদ্যের প্রশংসা করে উপাচার্য জানান, পুলিশের দৃষ্টিভঙ্গি ও দর্শনে পরিবর্তন এসেছে। আমি উপাচার্য হিসেবে এখানে এসেছি, আমি এই কমিউনিটির একজন সদস্য। পুলিশের সর্বত্র যে সহযোগিতা আমরা পাচ্ছি তা এই কমিউনিটি পুলিশিং সুবিধার অংশ হিসেবে আমরা ভোগ করছি। পুলিশ ও কমিউনিটির সদস্যগণ আমাদের সমাজকে সুশৃংখল রাখার জন্য নানাবিধ অপরাধ হ্রাস করতে কাজ করছে। বর্তমানে ইউনিভার্সিটির গ্রাজুয়েটরা পুলিশে আসতে আগ্রহী হচ্ছে, তাদের মধ্যে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এসেছে, মানুষের আস্থার জায়গা বেড়ে গেছে। ব্যক্তি পর্যায়ে কখনও কখনও অনাকাঙ্গিত ঘটনার ফলে দেশ, সমাজ ও পুলিশ কমিউনিটির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়। পুলিশের হাজার হাজার ভালো কাজের উদাহরণ আছে তারা সমাজের যেকোন অপরাধ প্রতিরোধে ও অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসছে।কমিউনিটির মধ্যে সংঘটিত অপরাধ জাতীয় পত্র-পত্রিকায় আসার গুরুত্ব আছে। সেখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সেগুলো এড়াতে পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে। একইসাথে আমাদের দায়িত্ব হবে পুলিশের যে ভালো কাজগুলোর জন্য সমাজ, দেশ ও কমিউনিটি উপকৃত হচ্ছে সে কাজগুলো সামনে তুলে আনা এবং এটা খুবই জরুরী। এই দুইটি বিষয় সমানভাবে গুরুত্ব দিলে এই কমিউনিটির সাথে সম্পৃক্ত মানুষগুলো অধিক মাত্রায় কাজে আগ্রহী হয়ে উঠবে।সভাপতির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন, সর্বত্র যাতে কমিউনিটি পুলিশিং ছড়িয়ে পড়ে সে উদ্দেশ্য নিয়ে আমাদের এবারে প্রতিপাদ্য বিষয় ‘‘মুজিববর্ষের মূলমন্ত্র কমিউনিটি পুলিশিং সর্বত্র’’। অপরাধ প্রতিরোধ বা তথ্য উদঘাটনে পুলিশের ক্ষমতা মূখ্য বিষয় না, মূখ্য বিষয়টা হলো যে সমাজের জন্য, যে মানুষের জন্য আমি কাজ করছি, তারা যদি আমার সাথে না থাকে তাহলে এই পুলিশিং কখনোই মানুষের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবে না। পুলিশের সাথে সম্পর্ক তৈরির জায়গা হচ্ছে এই কমিউনিটি পুলিশিং। আপনারা দেখেছেন করোনা মহামারী শুরুর পর থেকে বাংলাদেশে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট কিভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। যেখানে সন্তান মাকে ফেলে রেখে গেছে, সেখানে পুলিশ কাউকে ফেলে রেখে যায়নি। আমরা ফেলে রাখা মায়ের জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি, যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদেরও কবরস্থ করার ব্যবস্থা করেছে পুলিশ। ঢাকা শহরের কোথাও করোনায়

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.