বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম:
উপজেলা সন্দ্বীপে এলাকাবাসীর হাতে দুইজন গাঁজা ব্যবসায়ী আটক। মতলব উত্তরে ঘুর্নিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি কাফনের কাপড় পাঠিয়ে জীবননাশের হুমকি মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত ট্যাংক উপহার দিলো ভারত যশোরের চৌগাছায় টানা বর্ষণে জলাবদ্ধতা, কৃষকের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি যশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কাজে ফিরেছেন হাসপাতালের সেই ১১ পরিচ্ছন্নকর্মী যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মাননা প্রদান। ৭,১২,২১ হাফিজুর শেখ কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সন্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আমরা সাজাবো কেশবপুর সংগঠনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাবের হলরুমে ওই সন্মাননা প্রদান করা হয়। সংগঠনের সভাপতি কামরুজ্জামান রাজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক উৎপল দে, সাংবাদিক নূরুল ইসলাম খান, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক তুহিন হোসেন, প্রচার সম্পাদক আব্দুস সালাম, সদস্য এনামুল হাসান নাইম ও শফিকুল ইসলাম। সম্মাননা পাওয়া ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন- যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম তৌহিদুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অসীত কুমার ভদ্র। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর কেশবপুর হানাদার মুক্ত হয়। এদিন মুক্তিযোদ্ধারা সম্মিলিতভাবে কেশবপুরে প্রবেশ করার আগমূহুর্তে রাজাকাররা কেশবপুর বালিকা বিদ্যালয় ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যায় অপকা’র উদ্যোগে উখিয়া’র জালিয়াপালং ইউনিয়নে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ১৬ দিনব্যাপী প্রচারণার আলোচনা সভা ঈদগাঁওতে হাতি রক্ষা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে ৫৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৫ জন আটক




মাধবপুরে দিগুণ মূলে পাট বিক্রয় ভীড় করছে পাইকাররা,সরবরাহ দেশের হচ্ছে বিভিন্ন প্রান্তে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২১
  • ৬৩ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন গুলো জুড়ে পাটের বাম্পার ফলনে সরবাহ করছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।প্রতিদিন জেলা ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পাইকার গণ এসে মাধবপুর বাজার থেকে চড়া দামে পাট সংগ্রহ করছেন চাষিদের কাছ থেকে।উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পাট চাষি এবং ক্রেতা ও বিক্রয়তাদের কাছ থেকে জানা যায় (বৃহস্পতিবার ২৬ আগষ্ট) পাঠ বাজারে ভালো দাম থাকায় বেশ খুশি কৃষকরা।বর্তমানে পাট কাটা,পাট জাগ দেওয়া ও আঁশ ছাড়ানোর কাজে বস্ত্য সময় পার করছে উপজেলার বিভিন্ন স্থানের পাট চাষিরা।

 

সরজমিনে গিয়ে তথ্যমতে জানা যায় যে,মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাটের জমিতে প্রায় ০৮ থেকে ১০ মণ পাটের ফলন হয়েছে।পাটের জমিতে বিগত বছরগুলো থেকে এবছর খরচ হয়েছে আনুমানিক ০৪ হাজার থেকে ০৬হাজার টাকা।এতে খরচের চেয়ে প্রায় তিনগুণ লাভ বেশি পাচ্ছেন সকল চাষিরা।এবিষয়ে পাট চাষী ফরসু মিয়া সহ বেশ কিছু চাষিরা বলেন যে,গতবছর আমি ২ বিঘা জমিতে পাট চাষ করছিলাম এতে বিঘাপ্রতি ০৮ থেকে ০৯ মণ পাট পেয়েছিলাম।কিন্তু এ বছর ৩ বিঘা জমিতে পাট চাষ করছি।

 

গতবার সর্বোচ্চ ০২ হাজার টাকা মণে পাট বিক্রি করেছিলাম।কিন্তু এবছর পাটের বাজারের মান ভালো থাকায় মণ প্রতি ০৩ হাজার ৫০০ শত টাকা থেকে ০৪ হাজার টাকা দামে বিক্রি করতে পারছি পাট।উপজেলার আদাঐর ইউনিয়নের আলোয়া পাড়া গ্রামের পাট চাষী মোঃ মনির হোসেন বলেন, আমি ৩৭ শতক জমিতে পাট লাগিয়েছিলাম। মোটামুটি ফসল ভালো হয়েছে।বীজ থেকে চারা বড় করার জন্য প্রচন্ড রোদ থাকায় ঘন ঘন সেচ দিতে হয়েছে, আগাছা দমন করার জন্য অনেক খরচ হয়েছে।কীটপতঙ্গের দিক থেকে,পাটে বিষাক্ত পোকা না থাকাই ঔষধ কম দিতে হয়েছে, আবহাওয়া অনুকূলে ও কোনো দুর্যোগ না থাকায় পাট অনেক ভালো হয়েছে, বাজারে পাটের দামও অনেক বেশি থাকায় আমাদের তেমন লোকসান হয়নি। ৩৭ শতক জমিতে ৯ মণ পাট পেয়েছি। এতে করে আমরা পাট চাষীরা অনেক খুশি।

 

উল্লেখীত পাটের বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আল মামুন হাসান বলেন,উপজেলায় গত বছর ৩০০ হেক্টর জমিতে পাট চাষাবাদ হয়।তেমন লাভ না হলে ও এবছর ৩৫০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে।বাজারে পাটের দাম ভালো থাকায় কৃষকরা পাট চাষে আগ্রহী হয়েছে।ইতি মধ্যে চাষকৃত সব পাট কাটা প্রায় শেষের পথে।এখন জাগ আর আঁশ ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা।বাজারেও রয়েছে দিগুণ দাম।আবহাওয়া অনুকূলে ও প্রাকৃতিক কোন দূর্যোগ না থাকায় ফলন ভালো হয়েছে।এছাড়াও উপজেলার অফিসার ও মাঠকর্মীরা পাট চাষের জন্য সব সময় কৃষকদের সেবা ও পরামর্শ দিয়ে আসছে।




নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..




যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মাননা প্রদান। ৭,১২,২১ হাফিজুর শেখ কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সন্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আমরা সাজাবো কেশবপুর সংগঠনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাবের হলরুমে ওই সন্মাননা প্রদান করা হয়। সংগঠনের সভাপতি কামরুজ্জামান রাজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক উৎপল দে, সাংবাদিক নূরুল ইসলাম খান, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক তুহিন হোসেন, প্রচার সম্পাদক আব্দুস সালাম, সদস্য এনামুল হাসান নাইম ও শফিকুল ইসলাম। সম্মাননা পাওয়া ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন- যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম তৌহিদুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অসীত কুমার ভদ্র। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর কেশবপুর হানাদার মুক্ত হয়। এদিন মুক্তিযোদ্ধারা সম্মিলিতভাবে কেশবপুরে প্রবেশ করার আগমূহুর্তে রাজাকাররা কেশবপুর বালিকা বিদ্যালয় ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যায়
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
banglawebs999995