বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম:
আসন্ন ১২নং চরশাহী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা মার্কা বিজয়ের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত উপজেলা সন্দ্বীপে এলাকাবাসীর হাতে দুইজন গাঁজা ব্যবসায়ী আটক। মতলব উত্তরে ঘুর্নিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি কাফনের কাপড় পাঠিয়ে জীবননাশের হুমকি মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত ট্যাংক উপহার দিলো ভারত যশোরের চৌগাছায় টানা বর্ষণে জলাবদ্ধতা, কৃষকের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি যশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কাজে ফিরেছেন হাসপাতালের সেই ১১ পরিচ্ছন্নকর্মী যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মাননা প্রদান। ৭,১২,২১ হাফিজুর শেখ কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সন্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আমরা সাজাবো কেশবপুর সংগঠনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাবের হলরুমে ওই সন্মাননা প্রদান করা হয়। সংগঠনের সভাপতি কামরুজ্জামান রাজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক উৎপল দে, সাংবাদিক নূরুল ইসলাম খান, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক তুহিন হোসেন, প্রচার সম্পাদক আব্দুস সালাম, সদস্য এনামুল হাসান নাইম ও শফিকুল ইসলাম। সম্মাননা পাওয়া ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন- যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম তৌহিদুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অসীত কুমার ভদ্র। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর কেশবপুর হানাদার মুক্ত হয়। এদিন মুক্তিযোদ্ধারা সম্মিলিতভাবে কেশবপুরে প্রবেশ করার আগমূহুর্তে রাজাকাররা কেশবপুর বালিকা বিদ্যালয় ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যায় অপকা’র উদ্যোগে উখিয়া’র জালিয়াপালং ইউনিয়নে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ১৬ দিনব্যাপী প্রচারণার আলোচনা সভা ঈদগাঁওতে হাতি রক্ষা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত




রাস্তার পাশে পড়ে থাকা বৃদ্ধের পাশে দাঁড়ালো র‌্যাব।

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২২ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৭ বার পঠিত

হাফিজুর শেখঃ রাস্তার পাশে পড়ে থেকে ‘মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করা’ এক বৃদ্ধের পাশে দাঁড়িয়েছে র‌্যাব। রোববার দিবাগত মধ্যরাতে র‌্যাব সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে। তার চিকিৎসা ও স্বজনদের খুঁজে বের করার দায়িত্বও নিয়েছে র‌্যাব।

যশোর শহরের রেলগেট এলাকায় পাঁচদিন ধরে সড়কের পাশে ফুটপাতে পড়ে থাকা অজ্ঞাতপরিচয় অসুস্থ ওই বয়োবৃদ্ধের (৭০) সংবাদ রোববার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এরপর তা নজরে এলে র‌্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার নাজিউর তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

র‌্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার নাজিউর জানান,অনলাইনে সংবাদটি নজরে আসার পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনিসহ র‌্যাব টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করেন। এরপর রাত ১টার দিকে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। র‌্যাব তার চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করবে। এছাড়াও তার স্বজনদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এর আগে গত ৫ দিন ধরে অজ্ঞাতপরিচয় ওই বৃদ্ধ যশোর শহরের রেলস্টেশনের পাশের সড়কের ফুটপাতে পড়েছিলে রেলগেট ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের প্রাইভেটকার চালক রবিউল ইসলাম জানান, পাঁচদিন আগে সকাল বেলায় এসে দেখেন সড়কের পাশে ফুটপাতে এক বৃদ্ধকে শুইয়ে রাখা হয়েছে। তারা কথা বলতে চেষ্টা করলেও বৃদ্ধ কিছুই বলতে পারেননি। তারা সামান্য খাবার কিনে দিলে কোনোভাবে খেতে পারেন। বৃদ্ধের নাম ঠিকানাও তারা উদ্ধার করতে পারেননি। শরীরে পচন ধরেছে। মল-মূত্র ত্যাগ করে গায়ে মাখিয়ে ফেলেছেন।
এই অবস্থায় বৃদ্ধকে বাঁচাতে রোববার দুপুরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন আরেক প্রাইভেটকার চালক সাজু হোসেন। এরপর ঘটনাস্থলে যান যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম। কিন্তু তিনি সেখানে গিয়ে আশপাশে থাকা লোকজনদের বলে আসেন ‘এখানে পুলিশের কিছু করার নেই’।

৯৯৯-এ ফোন দেয়া সাজু হোসেন জানান, নাম পরিচয়হীন বৃদ্ধটিকে কেউ এখানে ফেলে রেখে গেছে। এই অমানবিক অবস্থা দেখে তিনি ৯৯৯-এ ফোন করেছিলেন। কিন্তু পুলিশ এসেও কিছুই করলো না।

এ প্রসঙ্গে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বৃদ্ধটি জীর্ণশীর্ণ অবস্থায় ফুটপাতে পড়ে আছে। কিন্তু তার কোনো ঠিকানা জানা যায়নি। আবার হাসপাতালে এনে ভর্তি করবো, কেউ দায়িত্ব নিতে চায় না।‘এখানে আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ নেই’ দাবি করে তিনি বলেন, এজন্যই বৃদ্ধকে সেখানেই রেখে চলে আসতে হয়েছে।


পরিচয়হীন বৃদ্ধের এই সংবাদটি রোববার সন্ধ্যায় প্রকাশিত হলে তা নজরে আসে র‌্যাবের। এরপরই র‌্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার নাজিউর তাকে উদ্ধারের পদক্ষেপ নেন।
এদিকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের একটি সূত্র জানিয়েছে, এক সপ্তাহ আগে অজ্ঞাতপরিচয় ওই বৃদ্ধকে শার্শা এলাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে যশোর হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়েছিল। সে সময় সার্জারি ওয়ার্ডে রেখে তাকে চিকিৎসা দেয়া হয়। এরপর বৃহস্পতিবার তাকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু কারা তাকে নিয়ে গেছে বা কে ভর্তি করেছিল এমন তথ্য হাসপাতাল সূত্র জানাতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে হাসপাতাল থেকে এনে বৃদ্ধকে স্টেশন এলাকায় রেখে চলে গেছে তার স্বজনেরা।




নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..




যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মাননা প্রদান। ৭,১২,২১ হাফিজুর শেখ কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সন্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আমরা সাজাবো কেশবপুর সংগঠনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাবের হলরুমে ওই সন্মাননা প্রদান করা হয়। সংগঠনের সভাপতি কামরুজ্জামান রাজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক উৎপল দে, সাংবাদিক নূরুল ইসলাম খান, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক তুহিন হোসেন, প্রচার সম্পাদক আব্দুস সালাম, সদস্য এনামুল হাসান নাইম ও শফিকুল ইসলাম। সম্মাননা পাওয়া ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন- যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম তৌহিদুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অসীত কুমার ভদ্র। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর কেশবপুর হানাদার মুক্ত হয়। এদিন মুক্তিযোদ্ধারা সম্মিলিতভাবে কেশবপুরে প্রবেশ করার আগমূহুর্তে রাজাকাররা কেশবপুর বালিকা বিদ্যালয় ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যায়
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
banglawebs999995