রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৩০ অপরাহ্ন

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে বিশ্ব ব্যাংকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলো বাংলাদেশ।

আবদুল্লাহ আল মোজাহিদ
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৪ আগস্ট, ২০২১
  • ৮৪ বার পঠিত

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানান, বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সমাজে অন্তর্ভুক্ত বা রেখে দেওয়ার জন্য বিশ্ব ব্যাংকের প্রস্তাবে রাজি নয় ঢাকা। আমাদের অগ্রাধিকার ইস্যু হচ্ছে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন। বিশ্ব ব্যাংকের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য একটা বাড়তি চাপ থাকবে বলে মনে করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বিশ্ব ব্যাংক একটা রিপোর্ট তৈরি করে জানিয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব ব্যাংক শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, ১৬টা দেশের জন্য একটা রিপোর্ট করেছে। যে সমস্ত দেশে রিফিউজি আছে সেখানে তাদের হোস্ট কান্ট্রিতে ইন্টিগ্রেট করার বিষয়ে। যেহেতু রোহিঙ্গারা রিফিউজি না, আমরা এটা পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছি।

তিনি বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের রিপোর্টের সঙ্গে আমাদের চিন্তাভাবনার মিল নেই। আমরা মনে করি, রোহিঙ্গাদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য একমাত্র পথ হচ্ছে নিজের দেশে ফিরে যাওয়া। আমরা তাদের ক্ষণিকের জন্য আশ্রয় দিয়েছি।

ড. মোমেন বলেন, ‘আমাদের প্রতিবেশি রাষ্ট্র মিয়ানমারও বলেছে তাদের নিয়ে যাবে। চার বছরে এখনও যায়নি। মিয়ানমার কিন্তু কখনও বলেনি নেবে না। তারা এখানে ক্ষণস্থায়ী। আমরা এখানে আশ্রয় দিয়েছি। বিশ্ব ব্যাংক যে রিপোর্ট করেছে সেখানে রিফিউজির কথা বলেছে। রোহিঙ্গারা রিফিউজি না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব ব্যাংক যে প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছে এটা দীর্ঘমেয়াদি। আমরা এটার পক্ষে না। আমরা আমাদের বক্তব্য জানিয়েছি। বলেছি, আমরা এটা গ্রহণ করি না। আমরা নাকচ করার পর ওদের সঙ্গে একটা সমঝোতা হচ্ছে, যেগুলো আমরা অপছন্দ করি সেগুলো বাদ দিয়ে একটা চুক্তি করবো। আমাদের যে ক্ষণস্থায়ী চিন্তাভাবনা, সেটা অনুযায়ী তারা রাজি হলে চুক্তি করবো।’

তিনি বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত এটা নিয়ে তারা আমাদের একটা চাপে রাখবে। টাকা দিতে ঝামেলা করবে। তারাতো আমাদের পয়সা দেয় না। রোহিঙ্গাদের নামে যে টাকা আসে সেটার চেহারাও আমরা দেখি না। আসা অর্থ খরচ করে আন্তর্জাতিক সংস্থা, ইউএনএইচসিআরসহ এরা সবাই। এরা কিভাবে টাকা খরচ করে সেটাও আমাদের জানায় না।’

বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনে ধরে ইউএনএইচসিআর বলেছে, তাদের যেন সব ধরনের নাগরিক সুবিধা; যেমন: বাংলাদেশিদের মতো কাজ করতে পারে, চলাফেরার লিগ্যাল মুভমেন্ট পায়, জমিজমা কিনতে পারে, নির্বাচন রাইট দিতে হবে নাগরিকের মতো। দেশের সব ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। রোহিঙ্গারা সেই শর্তের মধ্যে পড়ে না।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Jagroto Chattogram
banglawebs999995