
চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা মির্জাপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড গলাচিপা এলাকায় কৃষিজমি ও পাহাড় কেটে সাবাড় করার অভিযোগ উঠেছে জামাল নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
রবিবার ২৮ ডিসেম্বর বিকেলে তথ্য পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,একটি এক্সকাভেটর দিয়ে কৃষি জমির মাটি কেটে চারটি ড্রাম ট্রাকে করে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ,দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়াই তিনি একের পর এক কৃষিজমি ও পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করছেন।এতে একদিকে যেমন উর্বর কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে,অন্যদিকে পাহাড় কাটা কারণে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।
এলাকাবাসীর আশঙ্কা,এভাবে পাহাড় ও কৃষিজমি কাটা অব্যাহত থাকলে ভূমিধসসহ বড় ধরনের পরিবেশগত বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।
এবিষয়ে জামাল নামের ঐ ব্যক্তির সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।তবে অনেকে বলছেন,তিনি আওয়ামী সরকারের আমলেও আওয়ামী নেতাদের ছত্রছায়ায় থেকে একই কাজ করেছেন।এখনও স্থানীয় বিভিন্ন নেতার নাম ভাঙ্গিয়ে দিনে রাতে উর্বর কৃষিজমি ও পাহাড় কেটে বিক্রি করছেন।এতে শুধু পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তা নয়,একই সাথে নতুন পিস ঢালাই হওয়া সফর আলী সড়কটি ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয়রা আরও জানান, পাহাড় কাটার ফলে আশপাশের বসতবাড়ি ও ফসলি জমি ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসের আশঙ্কা থাকলেও বিষয়টি দেখার কেউ নেই বলে অভিযোগ করেন তারা।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে দ্রুত অবৈধ পাহাড় ও কৃষিজমি কাটা বন্ধ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন মুঠোফোনে বলেন,কৃষিজমি কাটার বিষয়ে কোন তথ্য পায়নি।তথ্য পেলে আমরা ব্যবস্থা নিব।